অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল বারাণসীতে জন্ম নেওয়া রবিশঙ্কর মাইহারে আলাউদ্দিন খানের কাছে শেখেন, সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালীর সংগীত করেন এবং হিন্দুস্তানি সংগীতকে পশ্চিমের কনসার্ট হল ও রক উৎসবে পৌঁছে দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁর ভারতরত্ন ১৯৯৯ সালের নিচে তালিকাভুক্ত করেছে, আর গ্র্যামি ডটকম তাঁর চারটি গ্র্যামি জয় তালিকাভুক্ত করেছে।
রবিশঙ্করের জন্ম ১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল বারাণসীতে, সেতার শেখেন মাইহার নামের ছোট দরবারি শহরে, সত্যজিৎ রায়ের প্রথম ছবির সংগীত করেন, আর ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করেন। গ্র্যামি ডটকম তাঁর চারটি জয় তালিকাভুক্ত করেছে, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁর ভারতরত্ন ১৯৯৯ সালের নিচে রেখেছে। এনপিআরের শোকবার্তা বলেছিল, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতকে পশ্চিমে জনপ্রিয় করার দায় তাঁর, এবং সহযোগীদের মধ্যে তারা বিটলস ও বেহালাবাদক ইয়েহুদি মেনুহিনের নাম করেছিল। তিনি মারা যান ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর, ৯২ বছর বয়সে।
সেতারবাদক হওয়ার আগে প্যারিসের এক নৃত্যশিল্পী
ফিলাডেলফিয়া ইনকোয়ারারে প্রকাশিত ব্লুমবার্গের শোকবার্তা বলে, শঙ্কর ছিলেন সাত ছেলের মধ্যে ছোট। র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার ফাউন্ডেশন নথিভুক্ত করেছে, ছেলেবেলায় তিনি বড় ভাই উদয়শঙ্করের সঙ্গে প্যারিসে যান, যিনি তখন ইউরোপের প্রথম ভারতীয় নৃত্যদল গড়ছিলেন। রবি দলের নৃত্যশিল্পী হন এবং, ফাউন্ডেশনের বিবরণে, পথে সেতার, সরোদ (পর্দাহীন একটি তারের বাদ্যযন্ত্র), বাঁশের বাঁশি ও ঢোল শেখেন। পোলার মিউজিক প্রাইজ যোগ করে, প্রায় দশ বছর বয়স থেকে তিনি দলের সঙ্গে ইউরোপ ও আমেরিকায় সফর করেন। লম্বা গলার তারের বাদ্যযন্ত্র সেতারকেই তিনি শেষে দক্ষতা অর্জনের জন্য বেছে নেন।
মাইহার, আর এক গুরুর শর্ত
সেই গুরু আলাউদ্দিন খান, সরোদের ওস্তাদ এবং মাইহারের রাজা ব্রজনাথ সিংয়ের দরবারি সংগীতশিল্পী, মাইহার এখনকার মধ্যপ্রদেশের একটি দেশীয় রাজ্য। গেইলের কনটেম্পরারি মিউজিশিয়ান্স এন্ট্রি বলে, উদয়শঙ্কর ১৯৩৫ সালে খানকে দলের প্রধান একক শিল্পী হিসেবে সফরে আমন্ত্রণ জানান, এবং রবি প্রায় এক বছর তাঁর দোভাষী ও পথপ্রদর্শক ছিলেন তাঁর ছাত্র হওয়ার আশায়। একই এন্ট্রি অনুযায়ী খান তাঁকে সেতার শেখাতে রাজি হন শুধু এই শর্তে যে তিনি প্যারিস ছেড়ে মাইহারে আসবেন।
বেশিরভাগ সূত্র যাওয়ার বছর ধরে ১৯৩৮। পোলার মিউজিক প্রাইজ ও রোলিং স্টোন ইন্ডিয়া দুটিই ১৯৩৮ দেয়, আর গেইলের এন্ট্রি দেয় প্রায় ১৯৩৬। পোলার মিউজিক প্রাইজ বলে তিনি ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত খানের কাছে শেখেন, আর ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন শিক্ষার সময় ধরে প্রায় সাড়ে সাত বছর। রোলিং স্টোন ইন্ডিয়া বর্ণনা করে বিদ্যুৎ ও কলের জলহীন একটি কঠোর ভাড়া করা ঘর, আর গেইল জানায় তিনি দিনে প্রায় বারো ঘণ্টা রেওয়াজ করতেন। খান তাঁর কাছে কী চেয়েছিলেন, সে বিষয়ে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস শঙ্করকে উদ্ধৃত করেছিল: অন্য সব ছেড়ে একটি কাজ ঠিকমতো করা।
খানের ছাত্র ও পরিবার হয়ে ওঠে সেই কেন্দ্র যাকে সংগীতশিল্পীরা বলেন মাইহার ঘরানা, এক শিক্ষকের ধারা থেকে হস্তান্তরিত বাদনের একটি বিদ্যালয়। অন্নপূর্ণা দেবীর ওপর মৃণাল পাণ্ডের ন্যাশনাল হেরাল্ড শোকবার্তা শঙ্কর ছাড়া খানের শিষ্যদের মধ্যে নাম করে তাঁর ছেলে সরোদবাদক আলি আকবর খানের, তাঁর মেয়ে অন্নপূর্ণা দেবীর, বংশীবাদক পান্নালাল ঘোষের এবং সেতারবাদক নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন নথিভুক্ত করেছে যে শঙ্কর নিজের গুরুর মেয়েকে বিয়ে করেন। রোলিং স্টোন ইন্ডিয়া যোগ করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে খান মাইহার ব্যান্ড গড়েন, ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রের একটি দল। পোলার মিউজিক প্রাইজ অনুযায়ী শঙ্করের প্রথম জনসমক্ষে অনুষ্ঠান ১৯৩৯ সালে।
অল ইন্ডিয়া রেডিও আর পথের পাঁচালীর সংগীত
পোলার মিউজিক প্রাইজ বলে, ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত শঙ্কর নয়াদিল্লিতে অল ইন্ডিয়া রেডিওর সংগীত পরিচালক ছিলেন। গেইলের এন্ট্রি বেতারকেন্দ্রে বাদ্য বৃন্দ, ভারতীয় একটি চেম্বার অর্কেস্ট্রা, প্রতিষ্ঠার এবং তার জন্য প্রায় ২০০টি রচনার কৃতিত্ব তাঁকে দেয়।
সত্যজিৎ রায় ফাউন্ডেশন অনুযায়ী ১৯৫৫ সালে রায় পথের পাঁচালী-র জন্য তাঁকে চেয়েছিলেন। শঙ্কর তখন সফরে, ছবির প্রায় অর্ধেক দেখেন, এবং প্রায় এগারো ঘণ্টার একটিমাত্র অধিবেশনে সংগীত রেকর্ড করেন। ফাউন্ডেশন মাই ইয়ার্স উইথ অপু থেকে রায়ের পরবর্তী স্মৃতিচারণ উদ্ধৃত করে: “সেটা ছিল এক ম্যারাথন অধিবেশন, আমরা ক্লান্ত অথচ খুশি হয়ে বেরিয়েছিলাম, কারণ বেশিরভাগ সুরই চমৎকার শোনাচ্ছিল।” কয়েকটি দৃশ্য শঙ্করের সংগীত ছাড়াই থেকে যায়, আর রায়ের চিত্রগ্রাহক সুব্রত মিত্র মিষ্টিওয়ালার দৃশ্যের সংগীত নিজেই ভেবে নেন। ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন তাঁর চলচ্চিত্র-কাজের মধ্যে রায়ের অপু ত্রয়ীর সংগীত তালিকাভুক্ত করেছে। ছবিটির নিজের কাহিনি আর রায়ের সম্মান আছে tuput-এর সত্যজিৎ রায়, অস্কার ও ভারতরত্ন লেখায়।
শঙ্কর পরে রিচার্ড অ্যাটেনবরার গান্ধী-র সংগীত লেখেন, মহাত্মা গান্ধীর জীবন নিয়ে ছবি। অ্যাকাডেমির নথি ১৯৮৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৫৫তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারে মৌলিক সংগীতের মনোনীতদের মধ্যে “গান্ধী”-কে তালিকাভুক্ত করে রবিশঙ্কর ও জর্জ ফেন্টনের নামে। পুরস্কারটি যায় ই.টি. দ্য এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল-এর জন্য জন উইলিয়ামসের হাতে।
১৯৫৬ সালে পশ্চিমে অভিষেক, আর মেনুহিনের সঙ্গে একটি গ্র্যামি
পোলার মিউজিক প্রাইজ নথিভুক্ত করেছে, শঙ্কর ১৯৫৬ সালে পশ্চিমে একক অভিষেক করেন এবং সে বছর থ্রি রাগাস রেকর্ড করেন। রাগ হল সেই সুরকাঠামো, যার ভেতরে হিন্দুস্তানি সংগীতশিল্পী ইমপ্রোভাইজ করেন। গেইলের এন্ট্রি তাঁর আমেরিকান অভিষেক রাখে ১৯৫৬ সালে নিউ ইয়র্কে এবং বলে তা সমালোচকদের প্রশংসা পায়। ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন লক্ষ করে যে ইমপ্রোভাইজেশনে তিনি রাগের ঐতিহ্যগত কাঠামোর ভেতরেই থাকতেন, এবং পরে মেনুহিন ও বংশীবাদক জাঁ-পিয়ের র্যাম্পালসহ পশ্চিমী সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে বাজিয়েছেন।
গ্র্যামি ডটকম অনুযায়ী মেনুহিনের সঙ্গে তাঁর অ্যালবাম ওয়েস্ট মিটস ইস্ট ১০ম গ্র্যামি পুরস্কারে সেরা চেম্বার মিউজিক পরিবেশনা জেতে। ব্লুমবার্গের শোকবার্তা যোগ করে, ১৯৬২ সালে তিনি মুম্বইয়ে কিন্নর স্কুল অফ মিউজিক খোলেন।
জর্জ হ্যারিসন, মন্টেরে আর উডস্টক
জর্জ হ্যারিসন বিটলসের “নরওয়েজিয়ান উড (দিস বার্ড হ্যাজ ফ্লন)”-এ সেতার বাজান, যা ব্লুমবার্গের মতে যন্ত্রটিকে রকে পরিচিত করায়, আর তারপর শিক্ষক হিসেবে শঙ্করকে খুঁজে বের করেন। গেইলের এন্ট্রি বলে দুজনের দেখা হয় ১৯৬৬ সালে এক নৈশভোজে। ব্লুমবার্গ জানায়, হ্যারিসন সে বছর ভারতে ছয় সপ্তাহ শঙ্করের কাছে শেখেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস লক্ষ করে যে হ্যারিসন সার্জেন্ট পেপার্স লোনলি হার্টস ক্লাব ব্যান্ড-এর জন্য “উইদিন ইউ উইদাউট ইউ” রেকর্ড করেন, এবং তিনি শঙ্করকে বলেছিলেন “বিশ্বসংগীতের গডফাদার”।
শঙ্কর ১৯৬৭ সালে মন্টেরে ইন্টারন্যাশনাল পপ ফেস্টিভ্যালে বাজান, যেখানে ব্লুমবার্গের মতে তিনিই একমাত্র শিল্পী যাঁকে অর্থ দেওয়া হয়, এবং ১৯৬৯ সালে উডস্টকে, যে বছরটি পোলার মিউজিক প্রাইজও নথিভুক্ত করেছে।
১৯৭১ সালের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
১৯৭১ সালে বাঙালি পরিবারের সন্তান শঙ্কর ভারতের ক্যাম্পে থাকা পূর্ব পাকিস্তানের শরণার্থীদের খবরে বিচলিত হন। ঢাকার দ্য ডেইলি স্টার জানায়, তিনি প্রথমে আশা করেছিলেন শরণার্থী শিবিরের শিশুদের জন্য প্রায় ২৫,০০০ ডলার তুলতে, নিজের অ্যালবাম জয় বাংলা ও পরের একটি দাতব্য কনসার্টের মাধ্যমে, এবং হ্যারিসনের কাছে সাহায্য চান। হ্যারিসন বলেছিলেন, বিটলসের সরকারি সাইট যেভাবে তাঁকে উদ্ধৃত করে, “আসলে এটা ছিল রবিশঙ্করের ধারণা।” যুদ্ধটি নিয়ে লেখা আছে tuput-এর বাংলাদেশ গড়া ১৯৭১ সালের যুদ্ধ লেখায়।
কনসার্টটি হয় ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে, প্রথম শো ভালো বিক্রি হওয়ায় দ্বিতীয় একটি শো যোগ করা হয়। বিটলসের সরকারি সাইট শিল্পীদের মধ্যে তালিকাভুক্ত করেছে হ্যারিসন, বব ডিলান, শঙ্কর, রিঙ্গো স্টার, এরিক ক্ল্যাপটন, লিওন রাসেল, বিলি প্রেস্টন এবং ব্যান্ড ব্যাডফিঙ্গারকে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতে, যে দর্শক তাঁর যন্ত্র বাঁধার সময়ই হাততালি দিয়েছিল, তাদের শঙ্কর বলেন তিনি আশা করেন বাজনা তাদের আরও ভালো লাগবে।
অর্থের হিসাবে বিবরণ আলাদা। দ্য ডেইলি স্টার শুরুর আয় ধরে প্রায় ২,৫০,০০০ ডলার, ইউনিসেফের পাতা বলে প্রচেষ্টাটি ১০ মিলিয়ন ডলার তোলে, আর গেইলের এন্ট্রি বলে লাইভ অ্যালবামটি পরে শরণার্থীদের জন্য প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার তোলে। অ্যালবাম দ্য কনসার্ট ফর বাংলা দেশ ১৯৭৩ সালের ৩ মার্চ ১৫তম গ্র্যামি পুরস্কারে বর্ষসেরা অ্যালবাম জেতে, আর গ্র্যামি ডটকম শঙ্করকে এর স্বীকৃত বিজয়ীদের মধ্যে তালিকাভুক্ত করে। গ্র্যামি ডটকমের পশ্চাদ্দৃষ্টি লেখা একে প্রথম বড় সহায়তা-অ্যালবাম বলে।
দেশে ও বিদেশে সম্মান
পোলার মিউজিক প্রাইজ বলে, রাজীব গান্ধীর মনোনয়নে শঙ্কর ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় মনোনীত সদস্য ছিলেন। ১৯৯২ সালে র্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার ফাউন্ডেশন সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও সৃজনশীল যোগাযোগ শিল্প বিভাগে তাঁকে সম্মান জানায়, উদ্ধৃত করে “সেতারে তাঁর সুমহান দক্ষতা দিয়ে ভারত ও বিশ্বকে সমৃদ্ধ করার জন্য।” ১৯৯৮ সালের পোলার মিউজিক প্রাইজ তাঁর নিজের দেশের শিল্পসংগীতের পরিবেশক ও অনুসন্ধানকারী হিসেবে প্রায় ছয় দশকের কাজের কথা উল্লেখ করে। হলিউড বোলের প্রোফাইল তালিকাভুক্ত করেছে পদ্মবিভূষণ, এবং ২০০০ সালে ফ্রান্সের কমান্ডার দ্য লা লেজিয়ঁ দনর।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ভারতরত্ন প্রাপকদের তালিকা পণ্ডিত রবিশঙ্কর (১৯২০ থেকে ২০১২)-কে দেখায় ১৯৯৯ সালের নিচে, সে বছর চারজনের একজন, অন্যরা জয়প্রকাশ নারায়ণ, অমর্ত্য সেন ও গোপীনাথ বরদলৈ। একই তালিকা গায়িকা লতা মঙ্গেশকরকে সম্মানটি পেতে দেখায় ২০০১ সালে, যে কাহিনি আছে tuput-এর লতা মঙ্গেশকর লেখায়।
গ্র্যামি ডটকমের শিল্পী-পাতা চারটি জয় তালিকাভুক্ত করেছে: ১০ম গ্র্যামিতে ওয়েস্ট মিটস ইস্ট-এর জন্য সেরা চেম্বার মিউজিক পরিবেশনা, ১৫তমতে বাংলাদেশ অ্যালবামের জন্য বর্ষসেরা অ্যালবাম, এবং সেরা বিশ্বসংগীত অ্যালবাম ৪৪তমতে ফুল সার্কল: কার্নেগি হল ২০০০-এর জন্য ও ৫৫তমতে দ্য লিভিং রুম সেশনস পার্ট ১-এর জন্য। ৫৫তম অনুষ্ঠান হয় ২০১৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, তাঁর মৃত্যুর দুই মাস পরে। আলটিমেট ক্ল্যাসিক রক জানায়, রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর তাঁর জন্য আজীবন কৃতিত্ব পুরস্কার ঘোষণা করে, যা দেওয়ার কথা ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, এবং এর সভাপতি নিল পোর্টনাও আগের সপ্তাহে শঙ্করকে তা জানিয়েছিলেন। তাঁর মেয়ে অনুষ্কা শঙ্কর সে বছর একই বিশ্বসংগীত বিভাগে ট্র্যাভেলার-এর জন্য মনোনীত হন। ২০১৩ সালের ফল আসার আগে লেখা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের শোকবার্তা বলেছিল তিনি তিনটি গ্র্যামি জিতেছেন; গ্র্যামি ডটকমের শিল্পী-পাতা, যাতে মরণোত্তর জয়টিও আছে, মোট ধরেছে চারটি জয় ও দশটি মনোনয়ন।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের মতে, শঙ্কর মারা যান সান দিয়েগো এলাকায় তাঁর বাড়ির কাছে, স্ত্রী ও এক মেয়ে পাশে থাকা অবস্থায়, তার আগের সপ্তাহে হৃদযন্ত্রের ভালভ প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচারের পর। এনপিআর ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্ট তাঁকে বর্ণনা করেছিল জাতীয় সম্পদ এবং ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিশ্বদূত হিসেবে।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- Grammy.com: Ravi Shankar, artist page with wins and nominations by ceremony
- Grammy.com: GRAMMY Rewind, 15th Annual GRAMMY Awards (3 March 1973)
- Ministry of Home Affairs, Government of India: List of recipients of the Bharat Ratna
- Ramon Magsaysay Award Foundation: Ravi Shankar, 1992 (citation and biography)
- Polar Music Prize: Ravi Shankar, laureate 1998
- Academy of Motion Picture Arts and Sciences: The 55th Academy Awards, 11 April 1983
- Satyajit Ray Foundation: Making of Pather Panchali, 1950 to 1955
- NPR, 11 December 2012: Sitar virtuoso Ravi Shankar dies at 92
- WBUR Here & Now, 12 December 2012 (Associated Press): Indian sitar virtuoso Ravi Shankar dies at 92
- Philadelphia Inquirer, 12 December 2012 (Bloomberg News): Ravi Shankar, sitarist and muse, dies at 92
- Encyclopedia.com: Ravi Shankar (Gale, Contemporary Musicians, and other reference entries)
- Rolling Stone India, 12 December 2012: Pandit Ravi Shankar, the Tansen of our times
- National Herald, 13 October 2018 (Mrinal Pande): Annapurna Devi, the light of the Maihar gharana
- The Beatles (official site): Concert for Bangladesh
- The Daily Star (Dhaka), 2015 (Mannan Mashhur Zarif): Concert for Bangladesh, looking back
- UNICEF: Rock-and-roll benefit concerts, music to UNICEF's ears
- Hollywood Bowl: Ravi Shankar, artist profile with honours
- Ultimate Classic Rock, December 2012: Ravi Shankar to receive Lifetime Achievement Grammy
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।