Skip to content
ভারতের গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন ২০২৩ সাল থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট ইলেকট্রোলাইজার ক্ষমতা আর বছরে ৭৫৬,১০০ টন হাইড্রোজেন উৎপাদন ক্ষমতা বরাদ্দ করেছে
পরিবেশ

ভারতের গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন ২০২৩ সাল থেকে ৩,০০০ মেগাওয়াট ইলেকট্রোলাইজার ক্ষমতা আর বছরে ৭৫৬,১০০ টন হাইড্রোজেন উৎপাদন ক্ষমতা বরাদ্দ করেছে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি ₹১৯,৭৪৪ কোটি বরাদ্দে জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন অনুমোদন করে, ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৫ মিলিয়ন টনের লক্ষ্যে। ২০২৬ সালের ১১ আগস্টের মধ্যে মন্ত্রক ১৫টি ইলেকট্রোলাইজার নির্মাতা ও ১৬টি হাইড্রোজেন উৎপাদককে ক্ষমতা বরাদ্দ করেছে, ১১টি সার কারখানার জন্য গ্রিন অ্যামোনিয়া চুক্তি সই করেছে, আর সবচেয়ে কম গ্রিন অ্যামোনিয়া দর এসেছে কিলোগ্রাম প্রতি ₹৪৯.৭৫।

· · 6 মিনিটের পাঠ

২০২৬ সালের ১১ আগস্ট নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির প্রতিমন্ত্রী শ্রীপাদ ইয়েসো নায়েক রাজ্যসভাকে লিখিত উত্তরে জানান, ভারতের জাতীয় গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন ১৫টি কোম্পানিকে বছরে ৩,০০০ মেগাওয়াট ইলেকট্রোলাইজার উৎপাদন ক্ষমতা আর ১৬টি কোম্পানিকে বছরে ৭৫৬,১০০ টন গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন ক্ষমতা বরাদ্দ করেছে, এএনআই জানিয়েছে। ইলেকট্রোলাইজার হল সেই যন্ত্র যা বিদ্যুৎ দিয়ে জলকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে ভাঙে। পিআইবির একটি ব্যাখ্যামূলক লেখা অনুযায়ী, ভারতের মানদণ্ডে হাইড্রোজেন গ্রিন গণ্য হয় যখন সেই বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে আর প্রক্রিয়ায় প্রতি কিলোগ্রাম হাইড্রোজেনে ২ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমতুল্যের বেশি নির্গত হয় না।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মিশনটি অনুমোদন করে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি, প্রাথমিক বরাদ্দ ₹১৯,৭৪৪ কোটি। মন্ত্রিসভার বিজ্ঞপ্তি ২০৩০ সালের প্রত্যাশিত ফলাফল তালিকাভুক্ত করেছে: বছরে অন্তত ৫ মিলিয়ন টন গ্রিন হাইড্রোজেন ক্ষমতা, তাকে চালাতে প্রায় ১২৫ GW নতুন নবায়নযোগ্য ক্ষমতা, ₹৮ লক্ষ কোটির বেশি বিনিয়োগ, ৬ লক্ষের বেশি কর্মসংস্থান, আর বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন টন নির্গমন এড়ানো।

₹১৯,৭৪৪ কোটি যায় কোথায়

মন্ত্রিসভার বিজ্ঞপ্তি বরাদ্দ চার ভাগে ভাগ করেছে: সাইট (স্ট্র্যাটেজিক ইন্টারভেনশনস ফর গ্রিন হাইড্রোজেন ট্রানজিশন) নামের কর্মসূচির জন্য ₹১৭,৪৯০ কোটি, পাইলট প্রকল্পের জন্য ₹১,৪৬৬ কোটি, গবেষণার জন্য ₹৪০০ কোটি, আর মিশনের অন্যান্য অংশের জন্য ₹৩৮৮ কোটি। সাইট নেয় অর্থের প্রায় ৮৯ শতাংশ। এর দুটি প্রণোদনা প্রকল্প, একটি ইলেকট্রোলাইজার বানানোর কারখানার জন্য, অন্যটি গ্রিন হাইড্রোজেন তৈরির কেন্দ্রের জন্য।

সরকারি কোম্পানি সোলার এনার্জি কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (সেসি) মিশনের বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে দরপত্র চালায়, তার নিজের পাতা অনুযায়ী। উৎপাদনের দরপত্রে দরদাতারা প্রতিযোগিতা করে সবচেয়ে কম গড় প্রণোদনায় যা তারা নিতে রাজি, আর দ্বিতীয় কিস্তিতে কোনও একটি কোম্পানি বছরে ৯০,০০০ টনের বেশি জিততে পারত না, পিআইবি ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বলেছে।

প্রথম দরপত্র, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে

পিআইবি ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জানায়, প্রথম উৎপাদন দরপত্র গেছে ১০টি কোম্পানির কাছে বছরে ৪১২,০০০ টনের জন্য, আর প্রথম ইলেকট্রোলাইজার দরপত্র ৮টি কোম্পানির কাছে বছরে ১,৫০০ মেগাওয়াটের জন্য। সেসির ফল-পাতা বিজয়ীদের তালিকা দিয়েছে। প্রথম উৎপাদন কিস্তিতে রিলায়েন্স, ACME ও গ্রিনকো প্রত্যেকে ৯০,০০০ টন পায়, আর HHP Two পায় ৭৫,০০০।

দ্বিতীয় দফা তার পরে। সেসির পাতায় ৯টি কোম্পানিকে বছরে ৪৫০,০০০ টন বরাদ্দ, লেটার অফ অ্যাওয়ার্ডের তারিখ ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ। AM Green Ammonia, Green Infra, L&T Energy Green Tech ও ওয়ারি প্রত্যেকে ৯০,০০০ টন পায়। দ্বিতীয় ইলেকট্রোলাইজার কিস্তিতে আরও ১,৫০০ মেগাওয়াট যোগ হয়, কার্যকর তারিখ ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, ফলে ইলেকট্রোলাইজারের মোট দাঁড়ায় ৩,০০০ মেগাওয়াট। ইলেকট্রোলাইজার বানানোর জন্য মঞ্জুর প্রণোদনা পিআইবি দিয়েছে ₹৪,৪৪০ কোটি।

দুটি উৎপাদন কিস্তি মিলে বছরে ৮৬২,০০০ টন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে মন্ত্রীর ২০২৬ সালের ১৭ জুনের বিবৃতি পর্যন্ত পিআইবি এই সংখ্যাই ব্যবহার করেছে।

কিলোগ্রাম প্রতি প্রায় ₹৫০ দামে গ্রিন অ্যামোনিয়া

গ্রিন অ্যামোনিয়া হল গ্রিন হাইড্রোজেন থেকে তৈরি অ্যামোনিয়া, যা যায় সার কারখানায়; পিআইবি বলছে সার উৎপাদনে আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির জায়গায় গ্রিন হাইড্রোজেন নিতে পারে। ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে ২৯ আগস্টের মধ্যে সেসি ১৩টি নিলাম করেছে ১৩টি সার কারখানার জন্য বছরে ৭২৪,০০০ টনের। সর্বনিম্ন দাম ছিল কিলোগ্রাম প্রতি ₹৪৯.৭৫, ইফকোর পারাদ্বীপ কারখানার জন্য ১০০,০০০ টনে, আর সর্বোচ্চ ₹৬৪.৭৪, ইন্দোরামার হলদিয়া কারখানার জন্য ২০,০০০ টনে। ২০২৫-২৬ সালের একটি পিআইবি পর্যালোচনা ভারযুক্ত গড় দিয়েছে ₹৫৩.২৭। সেসি বলছে এই দাম আন্তর্জাতিক গ্রিন অ্যামোনিয়া মানদণ্ডের চেয়ে অনেক কম।

বিজয়ীরা চালুর প্রথম তিন বছর কিলোগ্রাম প্রতি একটি প্রণোদনাও পায়: ₹৮.৮২, ₹৭.০৬ ও ₹৫.৩০। পিআইবির বিবরণ অনুযায়ী ২০২৬ সালের মার্চে ১১টি সার কারখানার জন্য ১০ বছরে বছরে ৬৭০,০০০ টনের ক্রয় ও সরবরাহ চুক্তি বিনিময় হয়েছে। মন্ত্রক আশা করে এতে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচবে। সবুজ বিপ্লবের খাটো-কাণ্ডের গম ঐতিহ্যবাহী জাতের চেয়ে বেশি সারে সাড়া দিয়েছিল।

শোধনাগারের জন্য মন্ত্রক বছরে ৩০,০০০ টন গ্রিন হাইড্রোজেন বরাদ্দের কথা জানিয়েছে: ইন্ডিয়ান অয়েলের পানিপথ শোধনাগারে ১০,০০০, ভারত পেট্রোলিয়ামের বিনা ও হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের বিশাখাপত্তনম শোধনাগারে ৫,০০০ করে, আর আসামের নুমালিগড়ে ১০,০০০। পিআইবি আবিষ্কৃত দাম দিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েলের জন্য কিলোগ্রাম প্রতি ₹৩৯৭ এবং অন্য দুই তেল কোম্পানির শোধনাগারের জন্য ₹৩৮৭, দুটিতেই ১৮ শতাংশ জিএসটি ধরা, আর নুমালিগড়ের জন্য ₹২৭৯। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির গ্লোবাল হাইড্রোজেন রিভিউ ২০২৫ বলছে, শোধন ও সারের দরপত্র ইউরোপ ও ভারতে উৎপাদন কেন্দ্রের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত এনেছে।

সেসি ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আরেকটি গ্রিন অ্যামোনিয়া দরপত্র ডেকেছে, মহারাষ্ট্রের ধুলের একটি সার কারখানার জন্য বছরে ৫৪,০০০ টন।

কী চলছে, কোথায়

পিআইবি ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ জানায়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতে বছরে প্রায় ৮,০০০ টন গ্রিন হাইড্রোজেন ক্ষমতা চালু হয়েছে। ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিলের পর্যালোচনা বলছে জেএসডব্লিউ ২০২৫ সালের নভেম্বরে বছরে ৩,৬০০ টন চালু করেছে। কান্দলার দীনদয়াল বন্দর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ১ মেগাওয়াটের একটি কেন্দ্র চালু করেছে, যা বছরে প্রায় ১৪০ টন বানাতে পারে বলে পিআইবি জানায়, আর তুতিকোরিনের ভি. ও. চিদম্বরনার বন্দর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে একটি পাইলট চালু করেছে।

পাইলট কেবল কেন্দ্রে থামে না। ২০২৫ সালের মার্চের বিজ্ঞপ্তি ১০টি রুটে ৯টি রিফুয়েলিং স্টেশন-সহ ৩৭টি হাইড্রোজেন বাস ও ট্রাক মঞ্জুর করেছিল। ২০২৬ সালের আগস্টের উত্তর, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের বিবরণে, গুনছে ৭০টি যান, ১৬টি স্টেশন ও ২১টি রুটে ১২টি পরিবহন পাইলট। মন্ত্রক ইস্পাত পাইলটের জন্য ₹৮৪ কোটিও মঞ্জুর করেছে, আর তুতিকোরিন বন্দরে একটি গ্রিন মিথানল জ্বালানি সুবিধা এবং শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার জন্য একটি দ্বৈত-জ্বালানি গ্রিন মিথানল জাহাজ বরাদ্দ করেছে। সড়ক পরিবহনের অন্য পথ ব্যাটারি চালিত যান, আর বৈদ্যুতিক যানের নিবন্ধন নিয়ে আমাদের লেখায় তাদের সংখ্যা আছে। রকেটের জ্বালানি হিসেবে তরল হাইড্রোজেন ভারতের পুরনো ব্যবহার, ইসরোর ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের কাহিনিতে তা আছে।

বাকিটা কেন্দ্র আর গুচ্ছ। এমএনআরই দীনদয়াল, ভি. ও. চিদম্বরনার ও পারাদ্বীপ বন্দরকে গ্রিন হাইড্রোজেন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর, আর অন্ধ্রপ্রদেশের পুডিমাডাকায় এনটিপিসির একটি কেন্দ্রের প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে। যোধপুর, ওড়িশা, পুনে ও কেরলে চারটি হাইড্রোজেন ভ্যালি ইনোভেশন ক্লাস্টার ₹১৭০ কোটিতে মঞ্জুর হয়েছে, ৮ এপ্রিলের পর্যালোচনা অনুযায়ী। গ্রিন হাইড্রোজেন সার্টিফিকেশন স্কিম শুরু হয় ২০২৫ সালের এপ্রিলে, আর সার্টিফিকেশন পোর্টাল আসে ২০২৬ সালের ১৭ জুন, যেদিন মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন ছয়টি রাজ্য নির্দিষ্ট গ্রিন হাইড্রোজেন নীতি জানিয়েছে। পর্যালোচনা আরও গুনেছে ১২২টি মানদণ্ড প্রকাশিত বা গৃহীত এবং ২০২৫-২৬ সালে ৩,৯৫৫ জনের প্রশিক্ষণ। মিশনের বিদ্যুৎ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে, আর সেই দিকটি আমাদের সৌর ক্ষমতার লেখায় আছে।

এর পরে কী

বরাদ্দ ক্ষমতা মানে এখনও তৈরি ক্ষমতা নয়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত খরচ হয়েছে ₹২৯২ কোটি, যেখানে ₹১৯,৭৪৪ কোটির বরাদ্দ চলবে ২০২৯-৩০ পর্যন্ত। ২৫ মার্চের বিজ্ঞপ্তি বছরওয়ারি সংখ্যা দিয়েছে: ২০২৩-২৪ সালে ₹০.১১ কোটি, ২০২৪-২৫ সালে ₹৪৬.২৬ কোটি এবং ২০২৫-২৬ সালে ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত ₹২০৩.৭৫ কোটি। সেসি অ্যামোনিয়া প্রণোদনাকে বর্ণনা করে সরবরাহ করা প্রতি কিলোগ্রামে দেওয়া হিসেবে, তাই অর্থ দেওয়া উৎপাদনকে অনুসরণ করে।

চালু ৮,০০০ টন ৫ মিলিয়ন টনের লক্ষ্যের ০.১৬ শতাংশ, আর বরাদ্দ ৭৫৬,১০০ টন তার প্রায় ১৫ শতাংশ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের বিজ্ঞপ্তিগুলি ১৮টি কোম্পানিকে ৮৬২,০০০ টন দিয়েছিল, আর আগস্টের উত্তর ১৬টিকে ৭৫৬,১০০ টন; কোনও প্রতিবেদনই বলেনি কী বদলেছে। সেসির সারণি প্রতিটি বরাদ্দের একটি লক্ষ্য-তারিখ দেয়, এসসিডি শিরোনামের কলামে: প্রথম উৎপাদন কিস্তির জন্য ২০২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয়টির জন্য ২০২৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

বাইরের দুটি পাঠ আরও বিবরণ যোগ করে। নীতি পরামর্শদাতা সাগরী গুপ্ত ২০২৬ সালের ১১ জুন বিজনেস টুডেতে লিখেছেন, কোনও সংশোধিত অন্তর্বর্তী লক্ষ্য প্রকাশিত হয়নি আর দেরিতে সরবরাহের কোনও জরিমানা জানানো হয়নি। বিসিজির ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন পেয়েছে ১৬৬টি প্রাসঙ্গিক মানদণ্ড ও কোড, আর হাইড্রোজেন শৃঙ্খলের ৫০টি অংশের মধ্যে ২৩টিতে ব্যবহারযোগ্য কোনও ভারতীয় মানদণ্ড নেই।

ধুলের গ্রিন অ্যামোনিয়া দরপত্রে দর জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২০২৬ সালের ২৭ অক্টোবর, মার্কম ইন্ডিয়া জানিয়েছে।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. PIB: Cabinet approves National Green Hydrogen Mission (Ministry of New and Renewable Energy, 4 January 2023)
  2. MNRE: National Green Hydrogen Mission, components and outlay
  3. SECI: NGHM tender results (electrolyser, green hydrogen and green ammonia awards)
  4. PIB: Tenders awarded for 4.12 lakh tonnes per annum of green hydrogen and 1,500 MW of electrolyzer manufacturing (7 February 2024)
  5. PIB: Scheme guidelines for SIGHT Mode 1 Tranche-II (5 July 2024)
  6. PIB: Three major ports recognised as Green Hydrogen Hubs (10 October 2025)
  7. PIB: Unlocking India's Green Hydrogen Production Potential (explainer, 12 November 2025)
  8. PIB: Government Driving National Green Hydrogen Mission Forward (Rajya Sabha reply, 8 December 2025)
  9. PIB: Measures to Optimise Energy Mix and Reduce Costs for Green Hydrogen Production (Rajya Sabha reply, 3 February 2026)
  10. PIB: India Commissions 8,000 TPA Green Hydrogen Capacity till February 2026 (25 March 2026)
  11. PIB: India Ranks third globally in Renewable Energy Installed Capacity, FY 2025-26 review (8 April 2026)
  12. PIB: Green Hydrogen Certification Portal launched, six states with dedicated policies (17 June 2026)
  13. ANI: Centre awards 30 KTPA green hydrogen capacity to four oil refineries (11 August 2026)
  14. Business Standard: Govt spends Rs 292 crore under National Green Hydrogen Mission so far (12 August 2026)
  15. SolarQuarter: SECI floats tender for 54,000 MTPA green ammonia supply to Maharashtra (28 September 2026)
  16. Mercom India: SECI issues tender for supply of green ammonia (24 September 2026)
  17. Business Today: India's green hydrogen ambitions face a reality check (Sagari Gupta, 11 June 2026)
  18. BCG: India's Hydrogen Standards, Gap Assessment and Preliminary Action Framework (8 October 2026)
  19. IEA: Global Hydrogen Review 2025, Executive summary

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#green hydrogen#national green hydrogen mission#sight scheme#mnre#green ammonia#electrolysers#seci#hydrogen hubs

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
ভারতের অ-জীবাশ্ম বিদ্যুৎ ক্ষমতা ২০২৫ সালের জুনে ৫০ শতাংশ পেরিয়েছে, ২০৩০ সালের অঙ্গীকারের পাঁচ বছর আগে, আর ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পৌঁছেছে ৩০৮ GW-এ
২০১৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি গণনার একটি তারিখ-ধরা সারি, মন্ত্রক কী কী অ-জীবাশ্ম ধরে, ৫০ শতাংশ লক্ষ্য আর ৫০০ GW অঙ্গীকার কোথায় আলাদা, এবং কারখানাগুলি আসলে বিদ্যুতের কত অংশ জুগিয়েছে।
ভারত ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ১৭১ GW স্থাপিত সৌর ক্ষমতায় পৌঁছেছে, ২০১৪ সালের ২.৮২ GW থেকে বেড়ে, আর তার অনুমোদিত মডিউল কারখানাগুলো বছরে প্রায় ২২৮ GW বানাতে পারে
২০১৪ সাল থেকে বছরে বছরে যোগ হওয়া ক্ষমতা, কামুথি, পাভাগাডা ও ভাদলা পার্ক, সৌর বিদ্যুতের এক ইউনিট কত দামে বিক্রি হয়েছে, আর স্থাপনার পাশাপাশি মডিউল, সেল ও ওয়েফার উৎপাদন কীভাবে বাড়ছে।
ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন, ৮৯ কিলোমিটার পথের জন্য তৈরি ভারতীয় রেলের ১০ কোচের ট্রেনসেট, ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই জিন্দ থেকে সোনিপতের উদ্দেশে পতাকা নাড়িয়ে ছাড়া হয়েছে, আর ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে ১,২০০ কিলোমিটারের বেশি পথ চলেছে
একটি ফুয়েল সেল, একটি লিথিয়াম ব্যাটারি আর জিন্দে ৩,০০০ কেজি হাইড্রোজেনের মজুত: রেল কী বানিয়েছে, গতি, নিরাপত্তা ও খরচ নিয়ে মন্ত্রকের নিজের বিজ্ঞপ্তিগুলো কী বলছে, আর এরপর কী আসছে।
← সব লেখা