অলঙ্করণ: tuput
বাংলা
এনএইচএসআরসিএলের ২০২৬ সালের আগস্টের অগ্রগতি প্রতিবেদনে শিনকানসেন-ভিত্তিক মুম্বই-আহমেদাবাদ লাইনের ৪৫৫ কিমিতে পিয়ারের কাজ ও ৩৬৫ কিমিতে ভায়াডাক্ট গোনা হয়েছে। রেল মন্ত্রক ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল লোকসভাকে জানিয়েছে, ৯৭ কিমির সুরাট থেকে ভাপি অংশের সব পূর্তকাজ সম্পূর্ণ, আর পিআইবি প্রথম পরিষেবার সময় দিয়েছে ২০২৭ সালের আগস্ট।
মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল লাইন, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন পথ, ৫০৮ কিমি দৈর্ঘ্যের ৪৫৫ কিমিতে পিয়ারের কাজ শেষ করেছে আর ৩৬৫ কিমিতে ভায়াডাক্ট বানিয়েছে, নির্মাতা ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের (এনএইচএসআরসিএল) ২০২৬ সালের আগস্টের অগ্রগতি প্রতিবেদনে, ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর স্বরাজ্য যেমন জানিয়েছে। ভায়াডাক্ট মানে উঁচুতে তোলা রেল সেতু। সরকারের সংবাদ সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) বলছে, প্রথম যাত্রী পরিষেবা আশা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের আগস্টে।
লাইনটিতে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের সবরমতী পর্যন্ত ১২টি স্টেশন, আর এটি বানানো হচ্ছে জাপানের শিনকানসেন প্রযুক্তিতে।
২০২৬ সালের আগস্টের প্রতিবেদন কী গুনছে
এনএইচএসআরসিএলের প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাজ্যের বিবরণ অনুযায়ী, ২৯৯ কিমি শব্দ-প্রতিরোধী দেওয়াল উঠেছে আর প্রায় ২২২ কিমি রিইনফোর্সড কংক্রিটের ট্র্যাক বেড তৈরি। ট্র্যাক স্ল্যাব বসেছে ৯৮ কিমিতে, আর ২০৩ কিমি জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে ৯,১০০-র বেশি ওভারহেড বিদ্যুতায়নের মাস্ট, তারে বিদ্যুৎ বইয়ে নেওয়া খুঁটি। সতেরোটি নদী সেতু ও ১৫টি ইস্পাত সেতু সম্পূর্ণ, চারটি পাহাড়ি সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছে, আর নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং পদ্ধতিতে ৫ কিমি সুড়ঙ্গ শেষ।
রেল মন্ত্রক ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল লোকসভাকে, সংসদের নিম্নকক্ষকে, দিয়েছিল ৪৩০ কিমি পিয়ার, ১৭৪ কিমি ট্র্যাক বেড আর ১৫৩ কিমি মাস্ট। আগস্টের প্রতিবেদনের পাশে রাখলে, দুই নথির মধ্যে ট্র্যাক বেড ও মাস্ট প্রত্যেকটি বেড়েছে মোটামুটি ৫০ কিমি।
পুরো প্রকল্পের হিসাবে, মন্ত্রকের ২০২৫ সালের বছরশেষের পর্যালোচনায় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি ৫৫.৬৩ শতাংশ। ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারির একটি পিআইবি বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত খরচ ₹৮৬,৯৩৯ কোটি। মন্ত্রক জানায়, ১,৩৮৯.৫ হেক্টর জমির সবটাই অধিগৃহীত, আর ১,৬৫১টি ইউটিলিটির সবগুলি সরানো হয়েছে।
পথটি গুজরাট ও দাদরা ও নগর হাভেলি দিয়ে ৩৫২ কিমি, আর মহারাষ্ট্র দিয়ে ১৫৬ কিমি। এর প্রায় ৪৬৫ কিমি ভায়াডাক্টে, পিআইবি ২০২৫ সালের নভেম্বরে জানিয়েছিল।
শিনকানসেনের মানদণ্ডে তৈরি
পিআইবির ২০২৬ সালের জুনের ব্যাখ্যামূলক লেখায় লাইনটির নকশা-গতি ঘণ্টায় ৩৫০ কিমি আর চলার গতি ঘণ্টায় ৩২০ কিমি, মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিটে। বিদ্যমান নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ নকশা-গতি প্রায় ঘণ্টায় ১৮০ কিমি, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতো আধা-দ্রুতগতির ট্রেনে।
ট্র্যাকটি জে-স্ল্যাব ব্যালাস্টহীন ট্র্যাক, জাপানি শিনকানসেন নকশার, যাতে পাথর-কুচির বিছানার বদলে কংক্রিটের স্ল্যাবে রেল বসানো হয়, আর পিআইবি বলছে ভারতে এটি প্রথমবার বসছে। ওভারহেড ব্যবস্থা ২×২৫ কেভি, শিনকানসেন-ধাঁচের ক্যান্টিলিভার-সহ, পরিকল্পনায় ২০,০০০-এর বেশি মাস্ট। ২৮টি সিসমোমিটারের একটি ভূমিকম্প-পূর্বাভাস ব্যবস্থা প্রথম কম্পনতরঙ্গ ধরবে আর বিদ্যুৎ কেটে দেবে, যাতে ট্রেন ব্রেক কষে থামে।
নির্মাণ পদ্ধতিও ভারতের কাছে নতুন। পিআইবি বলছে, ফুল-স্প্যান লঞ্চিং পদ্ধতিতে ৪০ মিটারের গোটা বক্স গার্ডার, প্রতিটি প্রায় ১,০০০ টন, ১৬ ঘণ্টার মধ্যে বসে যায়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির পিআইবি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রায় ১,০০০ ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার ও দক্ষ কর্মীকে জাপানি পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, আর ট্র্যাকের কাজ তাঁদের তত্ত্বাবধানে চলছে।
থানে ক্রিকের নিচে সুড়ঙ্গ খোঁড়া
মহারাষ্ট্র অংশে আছে ২১ কিমির একটি সুড়ঙ্গ, যার মধ্যে থানে ক্রিকের নিচে ভারতের প্রথম সমুদ্রতলের রেল সুড়ঙ্গ। পিআইবি সমুদ্রতলের অংশ দিয়েছে প্রায় ৭ কিমি। ২১ কিমির মধ্যে ৫ কিমি কাটা হচ্ছে নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং পদ্ধতিতে আর ১৬ কিমি টানেল বোরিং মেশিনে। দুটি ট্র্যাকই একটি ১৩.১ মিটার চওড়া নলে, আর ১৩.৬ মিটারের কাটারহেড ভারতের কোনও রেল প্রকল্পে ব্যবহৃত বৃহত্তম।
স্বরাজ্য জানিয়েছে, প্রথম মেশিনটি বোরিং শুরু করে ২০২৬ সালের ৫ জুলাই বিক্রোলি থেকে বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সের (বিকেসি) দিকে, আর দ্বিতীয়টি ১৮ জুলাই ঘনসোলির সাওলি থেকে বিক্রোলির দিকে। পিআইবির ২০২৫ সালের জুলাইয়ের বিবরণ অনুযায়ী বিকেসি বুলেট ট্রেন স্টেশন হবে ভূগর্ভে, মাটির ৩২.৫ মিটার নিচে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এর খননের প্রায় ৯১ শতাংশ শেষ হয়েছিল।
ভারতীয় রেলের আরেকটি বড় প্রকৌশল কাজ, কাশ্মীর লাইনে চেনাব খিলান সেতু, ২০২৫ সালের জুনে চালু হয়েছে।
প্রথম অংশ, গুজরাটে
মন্ত্রক ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল লোকসভাকে জানায়, ৯৭ কিমি দীর্ঘ সুরাট থেকে ভাপি অংশে নদী সেতু-সহ সব পূর্তকাজ সম্পূর্ণ আর ট্র্যাক বেডের ৮০ শতাংশ বসে গেছে। সদস্যের প্রশ্ন ছিল, প্রথম ট্রেন আগে ঘোষিত সুরাট থেকে বিলিমোরার ৫০ কিমির বদলে সুরাট থেকে ভাপির ১০০ কিমি চলবে কি না। লিখিত উত্তরে ৯৭ কিমির অংশের বর্ণনা আছে, কিন্তু কোন টুকরোটি আগে খুলবে তা বলা নেই।
অন্য সরকারি বিবৃতিগুলি টুকরোটির নাম বলেছে দুভাবে। পিআইবি ২০২৫ সালের নভেম্বরে জানিয়েছিল সুরাট থেকে বিলিমোরা অংশের, প্রায় ৪৭ কিমির, পূর্তকাজ ও ট্র্যাক বেড পুরো শেষ। সরকারি সম্প্রচারক আকাশবাণী ২০২৬ সালের ২ জানুয়ারি জানায়, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন প্রথম ট্রেন সম্ভবত ২০২৭ সালের ১৫ আগস্ট, সুরাট থেকে বিলিমোরা, তারপর ভাপি থেকে সুরাট। আইএএনএস ২০২৬ সালের ১২ জুলাই একই ক্রমের কথা জানিয়েছে, তারপর ভাপি থেকে আহমেদাবাদ, আহমেদাবাদ থেকে থানে আর আহমেদাবাদ থেকে মুম্বই। পিআইবির ২০২৬ সালের ৩ জুলাইয়ের ব্যাকগ্রাউন্ডার বলছে খুলবে সুরাট থেকে ভাপি অংশ।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মন্ত্রী প্রথম অংশের লক্ষ্য রেখেছিলেন ২০২৬ সালের জুলাই বা আগস্ট। মন্ত্রকের উত্তরগুলি বলে, মহারাষ্ট্রে জমি অধিগ্রহণের দেরি ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পকে প্রভাবিত করেছিল, আর অধিগ্রহণ গতি পায় ২০২২ সালে। পুরো করিডরের কোনও তারিখ তার লিখিত উত্তরে নেই, বলা আছে পূর্ত, ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক, সিগন্যালিং ও ট্রেনসেটের কাজ শেষ হলে সঠিক সময়সূচি ঠিক করা যাবে।
আহমেদাবাদের প্রান্তে সবরমতীকে পরিকল্পনা করা হয়েছে বুলেট ট্রেন, মেট্রো, বাস র্যাপিড ট্রানজিট ও রেল নেটওয়ার্ক যুক্ত করা একটি কেন্দ্র হিসেবে, সেই শহরে যেখানে বসবে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস।
জাপানের ঋণ, মন্ত্রক যেভাবে বলেছে
রেল মন্ত্রকের ২০১৫ সালের ১৩ ডিসেম্বরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল জাপান ৫০ বছরের ঋণ হিসেবে ₹৭৯,০০০ কোটির বেশি সহায়তা দিতে চেয়েছে, ১৫ বছরের স্থগিতাবস্থা-সহ (পরিশোধ শুরুর আগের একটি সময়), সুদ ০.১ শতাংশ। প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিল ₹৯৭,৬৩৬ কোটি, সাত বছরে বানানো হবে, শিনকানসেন প্রযুক্তি নেওয়া হবে এবং সহযোগিতা প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মেক ইন ইন্ডিয়ার সঙ্গে বাঁধা।
২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাজ্যসভার উত্তরে তৎকালীন রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গোহাঁই জানান, জাপান প্রকল্পের খরচের ৮১ শতাংশ দেবে ০.১ শতাংশ সুদে ৫০ বছরে। ঋণ আসে কিস্তিতে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জেআইসিএ) ২০২২ সালের ২৬ জুলাই তৃতীয় কিস্তির জন্য ১০০ বিলিয়ন ইয়েন পর্যন্ত ঋণচুক্তির সই ঘোষণা করে, তাতে সুদ বছরে ০.১ শতাংশ, মেয়াদ ৫০ বছর আর ১৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড।
২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মন্ত্রক-উত্তরে অনুমোদিত খরচ ₹১,০৮,০০০ কোটি (₹১.০৮ লক্ষ কোটি)। স্বরাজ্য ২০২৬ সালের ৪ মার্চ নাম-না-করা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, প্রায় ₹১.৯৮ লক্ষ কোটির একটি সংশোধিত হিসাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার জন্য তৈরি হচ্ছে আর বাড়তি অংশের জন্য নতুন কোনও জাপানি ঋণের পরিকল্পনা নেই। ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মন্ত্রকের প্রকাশিত উত্তরে সংশোধিত কোনও অঙ্ক নেই।
লাইনটি কী শুরু করতে চায়
মন্ত্রক বলছে, এই অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশের নিজস্ব শিল্প বীজ বোনার ইচ্ছা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির পিআইবি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি ভারত আর্থ মুভার্স লিমিটেডের সঙ্গে ঘণ্টায় ২৮০ কিমির দ্রুতগতির ট্রেনসেট নকশা করছে। বরোদায় একটি হাই-স্পিড রেল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা আছে।
কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ আরও সাতটি দ্রুতগতির করিডর ঘোষণা করেছে, মোট প্রায় ৪,০০০ কিমি, প্রত্যাশিত বিনিয়োগ প্রায় ₹১৬ লক্ষ কোটি। বৈষ্ণব মুম্বই থেকে পুনে দিয়েছেন ৪৮ মিনিট আর চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরু ১ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।
সূত্র ও আরও পড়ার জন্য
- PIB: Mumbai-Ahmedabad High-Speed Rail (Bullet Train) Project Updates, Lok Sabha reply (11 February 2026)
- PIB: Mumbai-Ahmedabad Bullet Train Project Experience Lays a Strong Foundation for India's Future High-Speed Rail Network (11 February 2026)
- Lok Sabha Starred Question No. 538, Bullet Train Project, answered 1 April 2026 (Ministry of Railways)
- PIB: Mumbai-Ahmedabad High-Speed Rail, Advancing India's Rail Modernisation (12 June 2026)
- PIB: India's High-Speed Rail Future, Building a Standardised Path for Expansion (3 July 2026)
- PIB: Ministry of Railways Year End Review 2025
- PIB: Prime Minister visits under-construction Bullet Train Station at Surat (16 November 2025)
- PIB: Union Budget 2026-27 and Indian Railways, seven high-speed rail corridors (1 February 2026)
- PIB: Bullet train first section, Surat and Bilimora, July/August 2026 target (23 February 2024)
- PIB: 1389.5 Ha land acquired for the Mumbai-Ahmedabad High Speed Rail Project, Lok Sabha reply (31 July 2024)
- PIB, Ministry of Railways: India and Japan ink three agreements for cooperation in Railway Sector (13 December 2015)
- PIB: Agreement with Japan for Bullet Train Project, Rajya Sabha reply (15 December 2017)
- JICA: Signing of Japanese ODA Loan Agreement with India, Mumbai-Ahmedabad High Speed Rail (III) (26 July 2022)
- Akashvani News: First bullet train to run between Mumbai and Ahmedabad on 15 August 2027, says Vaishnaw (2 January 2026)
- IANS via Free Press Journal: India's 1st bullet train to begin phased operations from August 15 next year (12 July 2026)
- Swarajya: Mumbai-Ahmedabad bullet train, 365 km viaduct completed, over 9,100 OHE masts installed (17 September 2026)
- Swarajya: Second TBM excavating 10 km stretch beneath Thane Creek (20 July 2026)
- Swarajya: Centre to shoulder Rs 90,000 crore cost escalation for Mumbai-Ahmedabad bullet train (4 March 2026)
এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।
ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।
একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।