Skip to content
সুন্দরলাল বহুগুণা হিমালয়ের বনের জন্য কাশ্মীর থেকে কোহিমা পর্যন্ত ৪,৮৭০ কিলোমিটার হেঁটেছেন, ১৯৮১ সালে পদ্মশ্রী প্রত্যাখ্যান করেছেন, আর ২০০৯ সালে পদ্মবিভূষণের জন্য মনোনীত হয়েছেন
পরিবেশ

সুন্দরলাল বহুগুণা হিমালয়ের বনের জন্য কাশ্মীর থেকে কোহিমা পর্যন্ত ৪,৮৭০ কিলোমিটার হেঁটেছেন, ১৯৮১ সালে পদ্মশ্রী প্রত্যাখ্যান করেছেন, আর ২০০৯ সালে পদ্মবিভূষণের জন্য মনোনীত হয়েছেন

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

সুন্দরলাল বহুগুণা (১৯২৭ থেকে ২০২১) ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে ৪,৮৭০ কিলোমিটারের এক পদযাত্রায় চিপকোর বার্তা নিয়ে যান গোটা হিমালয়ে। চণ্ডীপ্রসাদ ভাটের দশৌলি সমিতি প্রথম আন্দোলন শুরু করে ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে, আর গৌরা দেবী রেনির নারীদের নেতৃত্ব দেন ১৯৭৪ সালের মার্চে। ১,০০০ মিটারের ওপরে সবুজ গাছ কাটা বন্ধের তারিখ বিভিন্ন সূত্র দেয় ১৯৮০, ১৯৮১ ও ১৯৮৩।

· · 7 মিনিটের পাঠ

সুন্দরলাল বহুগুণা (১৯২৭ থেকে ২০২১) ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে হিমালয়ের বনের পক্ষে সওয়াল করতে কাশ্মীর থেকে কোহিমা পর্যন্ত ৪,৮৭০ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন, জমনালাল বাজাজ ফাউন্ডেশনের মতে, যারা তাঁকে ১৯৮৬ সালে গঠনমূলক কাজের পুরস্কার দেয়। ১৯৮১ সালে তিনি পদ্মশ্রী প্রত্যাখ্যান করেন। ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারির প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তালিকায় তাঁর নাম আছে সেই বছরের পদ্মবিভূষণ প্রাপকদের মধ্যে, পরিবেশ সংরক্ষণ বিভাগে, উত্তরাখণ্ড থেকে। যে চিপকো আন্দোলনের সবচেয়ে পরিচিত মুখ তিনি হয়ে ওঠেন, তার আরও নেতা ছিলেন, আর নথি প্রত্যেককে ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য কৃতিত্ব দেয়।

টেহরির এক ছেলে, সতেরো বছরে জেলে

বাজাজ ফাউন্ডেশনের জীবনী বলছে, বহুগুণার জন্ম ১৯২৭ সালে টেহরি গাড়োয়াল জেলার ছোট এক গ্রামে। মহাত্মা গান্ধীর শিষ্য শ্রীদেব সুমন তাঁকে জনজীবনে টেনে আনেন। তিনি ১৩ বছর বয়সে স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন, ১৭ বছর বয়সে কারাবন্দি হন, এবং পরে টেহরি রাজ্য প্রজামণ্ডল ও জেলা কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।

১৯৪৯ সালে তিনি মীরা বেন ও ঠক্কর বাপার সঙ্গে দেখা করেন এবং মেথরদের জন্য একটি স্কুল শুরু করেন, যাতে আত্মীয় ও বন্ধুরা রেগে যান আর উঁচু জাতের তীব্র বিরোধিতা আসে। ১৯৫৬ সালে তিনি দলীয় রাজনীতি ছেড়ে দেন, বিমলা নৌটিয়ালকে বিয়ে করেন এবং সিলিয়ারা গ্রামে থিতু হন। এই দম্পতির কাজ চলত গান্ধীর সাজানো গঠনমূলক কর্মসূচি ধরে: ছাত্রাবাস, মন্দিরপ্রবেশ অভিযান আর নারীদের কাজ।

১৯৬০ সালে বিনোবা ভাবের ডাকে তিনি সাতটি পাহাড়ি জেলা হেঁটে ঘোরেন, আর জীবনী বলছে সেই পদযাত্রাগুলিই তাঁকে দেখিয়ে দেয় হিমালয়ের নদীগুলির উচ্চ জলগ্রহণ এলাকা কতটা ন্যাড়া হয়ে গেছে। ১৯৭১ সালে মদের দোকান আবার খোলার বিরুদ্ধে তিনি ১৬ দিন অনশন করেন, এবং পাঁচটি জেলা শুষ্ক ঘোষিত হয়।

মণ্ডল, ১৯৭৩ সালের এপ্রিল: যে সমবায় সব শুরু করল

চণ্ডীপ্রসাদ ভাট ১৯৬৪ সালে চামোলি জেলার গোপেশ্বরে দশৌলি গ্রাম স্বরাজ্য মণ্ডল (পরের বিবরণে সংঘ) গড়েন, গ্রামবাসীদের বনভিত্তিক কাজ দিতে, যেমন ছাইগাছের কাঠে কৃষি-যন্ত্র বানানো। রামন ম্যাগসেসে পুরস্কারের প্রশস্তি বলছে, ১৯৭০ সালের ২০ জুলাইয়ের পর একটি মেঘভাঙা বৃষ্টি অলকানন্দা নদীকে হঠাৎ ফুলিয়ে তোলে, আর নির্বিচারে গাছ কাটা কী ক্ষতি করে, সে বিষয়ে তাঁকে সচেতন করে তোলে। একই জেলায় বদ্রীনাথ, যা নিয়ে tuput-এর চার ধাম ও হিমালয়ের তীর্থপথ লেখা আছে।

শোভিতা জৈন, ১৯৮২ সালের মাঠকর্মের পর এফএও-র পত্রিকা উনাসিলভা-য় লিখে জানান, বন বিভাগ সমিতির ১০টি ছাইগাছের আবেদন ফিরিয়ে দেয় এবং একটি ক্রীড়াসামগ্রী কোম্পানিকে বরাদ্দ করে ৩০০টি। ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট পোর্টালের কালপঞ্জি লিখেছে ১৯৭৩ সালের ২৪ এপ্রিল কী ঘটল: ভাট ও সমিতির নেতৃত্বে মণ্ডলের গ্রামবাসীরা সাইমন্ডস কোম্পানির ঠিকাদারদের ছাইগাছ কাটা থামিয়ে দেয়। কালপঞ্জি সেই এন্ট্রিতে লিখেছে, “চিপকোর জন্ম হল।”

ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন, যারা ভাটকে ১৯৮২ সালে কমিউনিটি লিডারশিপের পুরস্কার দেয়, তাঁকে কৃতিত্ব দেয় ১৯৭৩ সালে গ্রামবাসীদের সংগঠিত করার, যার ফলে ১৯১৭ সালের বননীতি সংশোধন করতে হয়। প্রশস্তিতে আন্দোলনের প্রথম স্লোগানও আছে: “গাছ কাটার আগে আমাদের কাটো।”

ভাটের সমিতি পরে পরিবেশ-উন্নয়ন শিবির চালায়, যেখানে গ্রামবাসীরা বনের ভারসাম্য মাথায় রেখে নিজেদের চাহিদার পরিকল্পনা করেন এবং গাছ লাগান। ম্যাগসেসে প্রশস্তি বলছে, গ্রামবাসীদের লাগানো গাছ সরকারি বাগানের চেয়ে অনেক বেশি হারে বেঁচেছিল, আর জৈন সংখ্যাটি দেন ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ, দশ লাখেরও বেশি গাছ লাগানো হয়েছিল।

রেনি, ২৬ মার্চ ১৯৭৪: গৌরা দেবী ও নারীরা

জৈনের মতে, বন বিভাগ অলকানন্দার ওপরের গ্রাম রেনিতে প্রায় ২,৫০০ গাছ নিলাম করে। ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট পোর্টাল বলছে, ১৯৭৪ সালের ২৬ মার্চ গৌরা দেবীর নেতৃত্বে রেনির নারীরা ঠিকাদার জগমোহন ভাল্লার লোকদের পেং মুরেন্ডা বনে ঢুকতে বাধা দেয়।

আন্দোলনের ইতিহাসকার শেখর পাঠক দ্য ট্রিবিউনে দৃশ্যটি আরও বিশদে দেন। গৌরা দেবী, তখন ৫০, গ্রামের মহিলা মঙ্গল দলের (নারী কল্যাণ সংঘ) প্রধান, প্রায় ২০ জন নারী ও সাতটি মেয়েকে নিয়ে বনে যান। পাঠক লিখেছেন, নারীর বাপের বাড়ি বোঝানো শব্দ মায়কা ব্যবহার করে তিনি এক বন আধিকারিককে বলেন তাঁকে গুলি করে তাঁর মায়কা নিয়ে যেতে। নারীদের এই অবস্থান গাছ কাটা থামায়।

রামচন্দ্র গুহ লিখেছেন, তিনি অল্প বয়সে বিধবা হন, কখনও স্কুলে যাননি, ১৯৬৫ সালে নিজের গ্রামের মহিলা মঙ্গল দল শুরু করেন, আর মারা যান ১৯৯১ সালে। গুহ রেনিকে বলেছেন সম্ভবত চিপকোর সবচেয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ।

পাঠকের মতে, ভাট ও অন্যরা রেনিতে পৌঁছান পরদিন সকালে, ২৭ মার্চ, এবং ৩১ মার্চ একটি বিক্ষোভ হয়। জৈন জানান, উত্তর প্রদেশ সরকার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে তারপর ১,১৫০ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকায় সব গাছ কাটার ওপর দশ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়।

নারীদের নেতৃত্বে এটাই শেষ আটকানো ছিল না। জৈন ১৯৮০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডোংরি পাইন্টোলির নারীদের একটি বিক্ষোভের কথা লিখেছেন, যা গাছ কাটা থামায়, এবং জানান নয় দিন পরে সরকার কাটা বন্ধ করে। এক গ্রামনেতার অনুমানও তিনি উদ্ধৃত করেন: ৯০ শতাংশ নারী আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন, আর ৯০ শতাংশ পুরুষ বিপক্ষে।

কে নাম দিলেন, আর কে কোথায় ছিলেন

শব্দটির এবং আন্দোলনের কৃতিত্ব নিয়ে মীমাংসা হয়নি। বাজাজ জীবনী বলছে, ১৯৭২ সালে বহুগুণা বন-সমস্যা হাতে নেন, মানুষকে অহিংসভাবে প্রতিবাদের আহ্বান জানান এবং “চিপকো” ডাক দেন, যার মানে গাছ জড়িয়ে ধরো। পাঠকের কালপঞ্জি বলছে শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৯৭৩ সালে। ডাউন টু আর্থ বহুগুণাকেই উদ্ধৃত করেছে, যেখানে তিনি বলেন গ্রামের নারীরা আন্দোলন শুরু করেন আর তিনি পরে যোগ দেন। পাঠকের রেনি-বিবরণ বা ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট পোর্টালের কালপঞ্জি, কোনোটিই তাঁকে রেনিতে বা মণ্ডলে রাখে না।

পাঠকের বই দ্য চিপকো মুভমেন্ট: আ পিপলস হিস্ট্রি-র এডিনবরার সমালোচনা বলছে, পাঠক কেবল নামী মুখ নয়, নারী, ছাত্র, সর্বোদয় কর্মী ও স্থানীয় দলকর্মীদেরও গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন। এতে পাঠকের মন্তব্যও আছে যে ধুম সিং নেগি “সম্ভবত একমাত্র মানুষ, যিনি সত্যিই গাছ জড়িয়ে ধরেছিলেন।” জৈন ভাটকে বর্ণনা করেন গোপেশ্বরের তৃণমূল সংগঠক হিসেবে, আর বহুগুণাকে সিলিয়ারার সাংবাদিক হিসেবে, যিনি জোর দিতেন প্রচার ও পরিবেশগত অগ্রাধিকারে। রাইট লাইভলিহুড ফাউন্ডেশন ১৯৮৭ সালের পুরস্কার দেয় চিপকো আন্দোলনকে সামগ্রিকভাবে, কোনো একজনকে নয়, এবং বহুগুণাকে তা থেকে উঠে আসা সবচেয়ে বিশিষ্ট নেতা বলে।

পদযাত্রা, অনশন আর ফিরিয়ে দেওয়া সম্মান

বাজাজ জীবনীতে যেমন আছে, বহুগুণার নিজের কীর্তির বেশির ভাগই পায়ে হেঁটে। ১৯৭৩ সালে ১২০ দিনে ১,৪০০ কিলোমিটার, ১৯৭৫ সালে ২,৮০০ কিলোমিটার (দুটিই উত্তরাখণ্ডে), আর ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সালে কাশ্মীর থেকে কোহিমা ৪,৮৭০ কিলোমিটার হেঁটেছিলেন তিনি। ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট পোর্টাল একটি অনশনের তালিকা দেয়, যা তিনি শুরু করেন ১৯৭৯ সালের ৯ জানুয়ারি, টেহরির বাড়ইয়ারগড় বনে গাছ কাটার বিরুদ্ধে, আর তা শেষ হয় ৩১ জানুয়ারি, যখন ঠিকাদারেরা সরে যায় এবং তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। জীবনী বলছে, ১৯৮১ সালে বিজ্ঞানীরা তাঁকে বারাণসীর বিজ্ঞান কংগ্রেসে আমন্ত্রণ জানান।

একই জীবনী জানায়, ১৯৮১ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয় আর তিনি ফিরিয়ে দেন। ডাউন টু আর্থ কারণ দিয়েছে, হিমালয়-নীতির তাঁর প্রস্তাবে রাজনীতিকদের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া; জীবনী তাঁকে উদ্ধৃত করে বলে, হিমালয়ের ওপরের মাটি গাছ কাটার পর সাগরে ভেসে যেতে থাকলে এমন পুরস্কারের অযোগ্যই থাকবেন তিনি। ডাউন টু আর্থ জানায়, ২০০৯ সালে তিনি পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন, এই আশায় যে এতে একই প্রস্তাবের ওজন বাড়বে।

যে নিষেধাজ্ঞার তারিখ নির্ভর করে কাকে জিজ্ঞাসা করছেন

বেশ কয়েকটি সূত্র অভিযানকে কৃতিত্ব দেয় উত্তর প্রদেশের পাহাড়ে, যা তখন আজকের উত্তরাখণ্ডকেও ধরত, সবুজ গাছ কাটা থামানোর জন্য। কবে এবং কতদিনের জন্য, তা নিয়ে তাদের মত আলাদা।

ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট পোর্টালের কালপঞ্জি বলছে, বহুগুণা ১৯৮১ সালের এপ্রিলে ১,০০০ মিটারের ওপরে সবুজ গাছ কাটার পুরো নিষেধাজ্ঞা দাবি করে অনশন শুরু করেন, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়েন, আর তার প্রতিবেদনের ফলে উত্তরাখণ্ড হিমালয়ে বাণিজ্যিক গাছ কাটার ওপর ১৫ বছরের স্থগিতাদেশ আসে। দ্য ট্রিবিউনে পাঠকের কালপঞ্জি ১৯৮০ সালের বন সংরক্ষণ আইনের অধীনে ১,০০০ মিটারের ওপরে সবুজ গাছ কাটার নিষেধাজ্ঞাকে স্থান দেয়। আর্থ ডট অর্গও দশ বছরের নিষেধাজ্ঞাকে ১৯৮০ সালে রাখে। ১৯৯৩ সালের একটি ডাউন টু আর্থ প্রতিবেদন বলছে, উত্তর প্রদেশ সরকার ১,০০০ মিটারের ওপরে গাছ কাটার নিষেধাজ্ঞা চাপায় ১৯৮৩ সালের জুনে, কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের সুপারিশে। বাজাজ জীবনী কেবল বলে, উত্তর প্রদেশ সরকারকে শেষ পর্যন্ত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ১,০০০ মিটারের ওপরে সবুজ গাছ কাটা বন্ধ করতে হয়। গোল্ডস্মিথ রিসার্জেন্স-এ লিখেছেন, বহুগুণা ও বিমলা একসঙ্গে স্থগিতাদেশ আদায় করেন।

পাঠকের বইয়ের সমালোচনা সাজানো-গোছানো সংস্করণের বিপক্ষে একটি কথা যোগ করে। সেখানে বলা হয়েছে, পাঠক ১৯৮০ সালের বন সংরক্ষণ আইনকে আন্দোলনের পক্ষে একটি আঘাত মনে করেন, কারণ এর অধীনে বনবাসীদের বন থেকে মৌলিক সম্পদ পাওয়াও কঠিন হয়ে ওঠে। পাঠকের মতও তাতে আছে যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে সরকারি সম্মান দেওয়া কর্মীদের মধ্যে টানাপোড়েন এনেছে।

টেহরি আর শেষ বছরগুলি

১৯৯০-এর দশকে বহুগুণা ভাগীরথীর টেহরি বাঁধের বিরুদ্ধে অনশন করেন। গোল্ডস্মিথ জানান, প্রধানমন্ত্রী রাও একটি স্বাধীন পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দিলে তিনি ১৯৯৫ সালে ৪৫ দিনের অনশন তুলে নেন, আর সে প্রতিশ্রুতি ভাঙা হয়। দ্বিতীয় অনশন ১৯৯৬ সালে ৭৪তম দিনে শেষ হয়, যখন প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবগৌড়া দুটি পর্যালোচনা কমিটি গড়তে রাজি হন, যার একটি বহুগুণার তৈরি। বাঁধটিতে ২৫,০০০ মানুষের উচ্ছেদ হওয়ার কথা ছিল, তিনি লিখেছেন। যে নদীর জন্য তিনি লড়েছিলেন, তা এসেছে tuput-এর গঙ্গা পরিষ্কারের বিবরণে।

ডাউন টু আর্থের শোকবার্তা অনুযায়ী তিনি কোভিড-১৯-এ মারা যান ২০২১ সালের ২১ মে, হৃষীকেশের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে, আর রাইট লাইভলিহুড ফাউন্ডেশন তাঁর বয়স দিয়েছে ৯৪। সেদিন প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর যে টুইট প্রকাশ করে, তাতে তাঁর মৃত্যুকে বলা হয়েছিল “আমাদের জাতির জন্য এক বিপুল ক্ষতি।”

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. Jamnalal Bajaj Foundation: Sunderlal Bahuguna, Recipient of the Award in the Field of Constructive Work, 1986 (biography)
  2. Press Information Bureau, Ministry of Home Affairs: Padma Awards announced (25 January 2009)
  3. Press Information Bureau: PM condoles the passing away of Shri Sunderlal Bahuguna (21 May 2021)
  4. Ramon Magsaysay Award Foundation: Chandi Prasad Bhatt, 1982 Community Leadership
  5. Right Livelihood Foundation: The Chipko Movement, 1987 laureate
  6. Right Livelihood Foundation: Sunderlal Bahuguna tribute (2021)
  7. Food and Agriculture Organization, Unasylva 146: Standing up for trees, Women's role in the Chipko Movement (Shobita Jain)
  8. India Environment Portal (Centre for Science and Environment): Landmarks on the Chipko trail
  9. The Tribune: Gaura Devi and the Chipko Reni Andolan (Shekhar Pathak, updated 23 March 2025)
  10. The South Asianist: Book review of Shekhar Pathak, The Chipko Movement: A People's History (Yogesh Upadhyay, 2021)
  11. The Telegraph: Ramachandra Guha on Chandi Prasad Bhatt's autobiography Gentle Resistance (23 March 2024)
  12. Down To Earth: Sunderlal Bahuguna, the oxygen for the global green fraternity (Jayanta Basu, 23 May 2021)
  13. Down To Earth: Veteran environmentalist Sundarlal Bahuguna dies of Covid (21 May 2021)
  14. Resurgence and Ecologist, issue 181: A gentle warrior (Katherine Goldsmith, March and April 1997)
  15. Down To Earth: Recommendations for a moratorium (29 September 1993)
  16. Earth.Org: 50 years on, the legacy of the Chipko movement

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#sundarlal bahuguna#biography#chipko movement#gaura devi#chandi prasad bhatt#tehri dam#uttarakhand#himalayan forests

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: পরিবেশ
সালিম আলির দ্য বুক অফ ইন্ডিয়ান বার্ডস ১৯৪১ সালে বর্ণনা করেছিল ১৮১টি প্রজাতি, এস. ডিলন রিপলির সঙ্গে তাঁর দশ খণ্ডের হ্যান্ডবুক সম্পূর্ণ হয় ১৯৭৪ সালে, আর তাঁর আবেদন কেওলাদেও ও সাইলেন্ট ভ্যালিকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছিল
এয়ার গান হাতে একটি ছেলে আর গলায় হলুদ দাগওয়ালা একটি চড়ুই বেড়ে উঠল উপমহাদেশের মানক পাখির বইয়ের লেখক হিসেবে, আর বন ও জলাভূমি নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর নিয়মিত চিঠির সঙ্গী হিসেবে। নথিতে কী আছে, আর বিবরণ কোথায় আলাদা।
খাশাবা জাধব ১৯৫২ সালের হেলসিঙ্কি অলিম্পিকে কুস্তিতে ব্রোঞ্জ জেতেন, স্বাধীন ভারতের প্রথম ব্যক্তিগত অলিম্পিক পদক, লন্ডনে ষষ্ঠ হওয়ার চার বছর পরে
কোলহাপুরের এক কলেজ অধ্যক্ষ ৭,০০০ টাকার জন্য নিজের বাড়ি বন্ধক রাখেন, যাতে সাতারার এক গ্রামের কুস্তিগির হেলসিঙ্কি পৌঁছতে পারেন, যেখানে ব্রোঞ্জের জন্য শেষ দিনে তিনি দুবার নামেন। রেকর্ড, সম্মান আর যে তারিখগুলি আলাদা।
নানা পাটেকর তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতেন, প্রহার পরিচালনা করেন এবং মহারাষ্ট্রের খরাপীড়িত কৃষকদের জন্য নাম ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন
১৩ বছর বয়সে পোস্টার-শিল্পী, ১৯৭০-এর দশকে মঞ্চাভিনেতা, পদাতিক রেজিমেন্টের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেওয়া পরিচালক, আর কৃষকদের ত্রাণ ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। মৃত্যুর কয়েক দিন পরে নথিতে যা আছে।
← সব লেখা