Skip to content
দিলীপ কুমার আটটি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণ জেতেন, ১৯৪৪ সালে জোয়ার ভাটা দিয়ে শুরু হওয়া পর্দার কর্মজীবনে
শিল্প ও চলচ্চিত্র

দিলীপ কুমার আটটি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণ জেতেন, ১৯৪৪ সালে জোয়ার ভাটা দিয়ে শুরু হওয়া পর্দার কর্মজীবনে

অলঙ্করণ: tuput

বাংলা

দিলীপ কুমার (১৯২২ থেকে ২০২১) দেবদাস, মুঘল-ই-আজম ও গঙ্গা যমুনার প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ফিল্মফেয়ারের তালিকায় তাঁর সেরা অভিনেতার জয় আটটি, পদ্মভূষণ এসেছে ১৯৯১ সালে, ফালকে পুরস্কার ১৯৯৪ সালে আর পদ্মবিভূষণ ২০১৫ সালে।

· · 6 মিনিটের পাঠ

ফিল্মফেয়ারের বিজয়ীদের তালিকা শুরু ১৯৫৪ সালে, আর সেরা অভিনেতার প্রথম নাম দাগ-এর জন্য দিলীপ কুমার। ফিল্মফেয়ারের গণনায় তিনি এই বিভাগে শেষ পর্যন্ত আটবার জেতেন, শেষবার শক্তি-র জন্য। ১৯৯১ সালের ২৬ জানুয়ারির পদ্মভূষণ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর নাম চলচ্চিত্র অভিনয়ের শিরোনামে আছে, ফালকে পুরস্কার আসে ১৯৯৪ সালের জন্য, আর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিলের রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তি তাঁকে রাখে পদ্মবিভূষণ তালিকায় অমিতাভ বচ্চনের পাশে, যাঁর কর্মজীবনের কথা আছে অমিতাভ বচ্চন: সিনেমায় ছয় দশক লেখায়।

পেশোয়ারের ফল-ব্যবসায়ীর ছেলে থেকে বোম্বে টকিজ

ইন্ডিয়ান সিনেমা হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের আর্কাইভ সিনেমাআজি তাঁর জন্মনাম দিয়েছে মোহাম্মদ ইউসুফ খান, জন্মতারিখ ১৯২২ সালের ১১ ডিসেম্বর এবং জন্মস্থান পেশোয়ার, এখন যা পাকিস্তানে। ওপেন পত্রিকা লিখেছে, পরিবার ১৯৩০-এর দশকে পেশোয়ারের কিসসা খাওয়ানি বাজার থেকে কলকাতা হয়ে বোম্বের ক্রফোর্ড মার্কেটের কাছে নাগদেবী স্ট্রিটে আসে, আর তাঁর বাবা ফল বিক্রি করতেন। একই লেখা অনুযায়ী ছেলেবেলার বন্ধু রাজ কাপুরও ছিলেন পেশোয়ারের। কাপুরের নিজের কর্মজীবনের কথা বলা আছে রাজ কাপুর, আওয়ারা ও সোভিয়েত দর্শক লেখায়।

ওপেন বলছে, বোম্বে টকিজের দেবিকা রানি তাঁকে নৈনিতালে লক্ষ করেন, যেখানে তিনি কাজ খুঁজছিলেন, এবং মাসে ৫০০ টাকা বেতনে, বছরে ২০০ টাকা করে বৃদ্ধিসহ, তাঁকে নিয়োগ করেন। অভিনয়ের কোনও প্রশিক্ষণ তাঁর ছিল না। সিনেমাআজি তাঁর অভিষেক নথিভুক্ত করেছে জোয়ার ভাটা (১৯৪৪), মৃদুলার বিপরীতে, এবং বলছে বোম্বে টকিজে তিনি দিলীপ কুমার পর্দার নাম নেন। চলচ্চিত্র-ইতিহাসের সাইট আপারস্টল তাঁর উত্থানের ছবি বলে জুগনু (১৯৪৭), নূরজাহানের বিপরীতে।

আটটি সেরা অভিনেতার পুরস্কার, দাগ থেকে শক্তি

ফিল্মফেয়ারের নিজের বিজয়ী-পাতা দিলীপ কুমারকে সেরা অভিনেতা দেখায় দাগ (এর ১৯৫৪ সালের তালিকায়), আজাদ (১৯৫৬), দেবদাস (১৯৫৭), নয়া দৌর (১৯৫৮), কোহিনূর (১৯৬১), লিডার (১৯৬৫), রাম আউর শ্যাম (১৯৬৮) ও শক্তি (১৯৮৩)-র জন্য। পাতাটি প্রতিটি বছর অনুষ্ঠান ধরে চিহ্নিত করে, তাই বছরগুলি ছবির মুক্তির বছর নয়। ১৯৫৮ সালের তালিকায় একই পাতা সেরা ছবির নাম দিয়েছে মাদার ইন্ডিয়া, যার কথা আছে মাদার ইন্ডিয়া ও তার অস্কার মনোনয়ন লেখায়। সিনেমাআজি যোগ করেছে ২০০৫ সালে একটি ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার; ফিল্মফেয়ার তাঁর জন্য আজীবন কৃতিত্বের একটি পুরস্কারও তালিকাভুক্ত করেছে, ১৯৯৪ সালের তালিকায়, যদিও সিনেমাআজি সেটির তারিখ দেয় ১৯৯৩।

দেবদাস (১৯৫৫): যে ভূমিকা তাঁকে উপাধি দেয়

দেবদাস শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসিকা ভিত্তিক, যার তারিখ দ্য প্রিন্ট দিয়েছে ১৯১৭। বিমল রায় ১৯৫৫ সালের হিন্দি সংস্করণ প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন, শিরোনাম ভূমিকায় দিলীপ কুমার, পারোর ভূমিকায় সুচিত্রা সেন আর চন্দ্রমুখীর ভূমিকায় বৈজয়ন্তীমালা। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বলিউড সিনেমা পাতাগুলি এর সংগীত দিয়েছে এস. ডি. বর্মনের, গীতিকার সাহির লুধিয়ানভি এবং দৈর্ঘ্য ১৬১ মিনিট। আইওয়ার লেখাটির লেখক কোরি ক্রিকমুর তিন প্রধান অভিনেতার অভিনয়কে সংযত ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বর্ণনা করেছেন।

দ্য প্রিন্টের অমিত উপাধ্যায় চরিত্রটিকে সংজ্ঞা দেওয়ার কৃতিত্ব দেন দিলীপ কুমারের অভিনয়কে, আর চিত্রনাট্যের কৃতিত্ব নবেন্দু ঘোষকে এবং মূল সংলাপের কৃতিত্ব রাজিন্দর সিং বেদীকে। তিনি বলেন, গল্পটির এই একটিই সংস্করণ যেখানে প্রেমিক-প্রেমিকার ছেলেবেলা একটি দীর্ঘ দৃশ্যক্রম পেয়েছে। একটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে পড়া চিঠিতে, দ্য প্রিন্ট যা জানিয়েছে, দিলীপ কুমার বলেন তিনি দর্শকদের নৈরাশ্যবাদের দিকে না ঠেলে দেবদাসের সম্পর্কগুলির ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া হতাশা পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন। আপারস্টল লিখেছে, তিনি গুরু দত্তের পিয়াসা (১৯৫৭) ফিরিয়ে দেন, কারণ তাঁর মনে হয়েছিল ভূমিকাটি তাঁর দেবদাসেরই প্রসারণ।

মুঘল-ই-আজম (১৯৬০): মহাকাব্যের ভেতরে যুবরাজ

কে. আসিফ মুঘল-ই-আজম প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন, আকবরের ভূমিকায় পৃথ্বীরাজ কাপুর, যুবরাজ সেলিমের ভূমিকায় দিলীপ কুমার ও আনারকলির ভূমিকায় মধুবালা, সংগীত নৌশাদের আর গীতিকার শাকিল বদায়ুনি। আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছবিটির দৈর্ঘ্য দিয়েছে ১৯৮ মিনিট এবং জানিয়েছে আসিফ আয়নার প্রাসাদের দুটি সংগীত দৃশ্যের জন্য ব্যয়বহুল রং রেখেছিলেন। ইস্টার্ন আই মুক্তির তারিখ দিয়েছে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট, প্রিমিয়ার মুম্বইয়ের মারাঠা মন্দির সিনেমায়, আর রঙিন পুনর্মুক্তি ২০০৪ সালের ১২ নভেম্বর। ফিল্মফেয়ারের তালিকা একে সেরা ছবি বলেছে ১৯৬১ সালের তালিকায়, যে তালিকায় দিলীপ কুমার কোহিনূর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হন।

কত সময় লেগেছিল তা নিয়ে সূত্রগুলি আলাদা। ইস্টার্ন আই বলে আসিফ ১৯৪৪ সালে ছবিটির কথা ভাবেন এবং তৈরি হতে ১৬ বছর লাগে; সিনেমাআজি বলে প্রায় ১১ বছর নির্মাণ; আইওয়া বলে কথিত দশ বছর। বক্স অফিসের চলা নিয়েও তারা আলাদা: সিনেমাআজি বলে এগারো বছর ধরে এটি ছিল সবচেয়ে বেশি আয় করা ভারতীয় ছবি, আর ইস্টার্ন আই বলে ১৯৭৫ সালে শোলে পর্যন্ত। ইস্টার্ন আই যোগ করে, আসিফ প্রথমে সেলিমের ভূমিকায় দিলীপ কুমারকে বাতিল করেছিলেন, এবং তিনি নাকি ছয় বছর ধরে নিজের অংশের শুটিং করেন।

গঙ্গা যমুনা (১৯৬১): যে ছবি তিনি লেখেন ও প্রযোজনা করেন

আইওয়ার পাতাগুলি গঙ্গা যমুনা-কে বর্ণনা করে তার নায়কের চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা হিসেবে। নীতিন বসু পরিচালনা করেন, ওয়াজাহাত মির্জা সংলাপ লেখেন এবং নৌশাদ সুর দেন। দিলীপ কুমার গঙ্গা, যাকে চুরির মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে ডাকাত দলে ঠেলে দেওয়া হয়; তাঁর আসল ভাই নাসির খান যমুনা, তাদের নিজের শহরে বদলি হয়ে আসা এক পুলিশ কর্মকর্তা। আইওয়ার পাতা লক্ষ করে গঙ্গা ও ধন্নো কথা বলে ভোজপুরিতে, হিন্দি বলয়ের একটি আঞ্চলিক উপভাষায়, আর যমুনার মাপা খড়ি বোলির বিপরীতে। সিনেমাআজি বলে ছবিটি হিন্দিতে দ্বিতীয় সেরা ফিচার ছবির জাতীয় পুরস্কার পায় এবং কুমার উচ্চারণে বৈজয়ন্তীমালাকে সাহায্য করেন। ওপেন যোগ করে, তিনি নাশিকের কাছে দেওলালির এক মালির কথার ধরন থেকে নেন, যেখানে তিনি স্কুলে পড়েছিলেন।

তাঁর ক্ষেত্রে “মেথড” মানে কী

একই প্রস্তুতি অন্যত্রও দেখা যায়। ওপেন জানায়, কোহিনূর-এর একটি গানের জন্য তিনি প্রায় এক বছর ওস্তাদ বিলায়েত খানের কাছে সেতার শেখেন। দ্য কুইন্টের রঞ্জিব মজুমদার তাঁর পদ্ধতিকে স্বাভাবিকতা বলেন, যা তাঁর যুগের পক্ষে অস্বাভাবিক। ওপেন ১৯৮২ সালের একটি ফিল্মফেয়ার সাক্ষাৎকারও উল্লেখ করে, যেখানে কুমার বলেন, একের পর এক বিষাদের ভূমিকার পরে ইংল্যান্ডের নাটক-প্রশিক্ষক ও মনোরোগ চিকিৎসকরা তাঁকে কমেডি চেষ্টা করতে পরামর্শ দেন, আর এই বদল তাঁকে বড় স্বস্তি দেয়।

এতে তিনি ভারতের প্রথম মেথড অভিনেতা হয়ে যান কি না, তা নিয়ে তর্ক আছে, মীমাংসা নেই। আউটলুকের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে জাভেদ আখতার বলেন তিনি পৃথিবীতেই প্রথম, শুরু জোয়ার ভাটা থেকে, এবং লক্ষ করান যে মার্লন ব্র্যান্ডো এসেছেন তাঁর কর্মজীবনের সাত থেকে আট বছর পরে। মজুমদার মানেন যে ব্র্যান্ডো বয়সে ছোট ছিলেন, কিন্তু বলেন ব্র্যান্ডো স্টেলা অ্যাডলারের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, যা কুমার নেননি। আপারস্টলের পাঠ আরও সতর্ক: সে বলে পল মুনির প্রভাবে গড়া তাঁর পরিশীলিত ভঙ্গিমা কখনও কখনও চরিত্রগুলিকে ভারী করে তুলত, যেমন দিল দিয়া দর্দ লিয়া-তে।

পরের বছরগুলি, সংসদ ও সম্মান

সিনেমাআজি বলে, বৈরাগ (১৯৭৬)-এর পরে তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন, আর ফেরেন ১৯৮১ সালে ক্রান্তি দিয়ে। সিনেমাআজির চলচ্চিত্র-তালিকা তারপর চলে শক্তি (১৯৮২), কর্মা (১৯৮৬), সৌদাগর (১৯৯১) ও কিলা (১৯৯৮) পর্যন্ত, যা তাঁর শেষ ছবি। আপারস্টল নথিভুক্ত করেছে ১৯৮০ সালে তিনি ছিলেন বোম্বের শেরিফ, একটি আনুষ্ঠানিক সম্মান। সিনেমাআজি তাঁকে ২০০০ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী দিলীপ কুমার: দ্য সাবস্ট্যান্স অ্যান্ড দ্য শ্যাডো উল্লেখ করে।

ফালকে পুরস্কারের বছর প্রোডিউসার্স গিল্ড অফ ইন্ডিয়া ও সিনেমাআজি দিয়েছে ১৯৯৪, ৪২তম পুরস্কার; আপারস্টল বলে ১৯৯৫। সিনেমাআজি পাকিস্তানের বেসামরিক সম্মান নিশান-ই-ইমতিয়াজের তারিখ দেয় ১৯৯৮। ১৯৯৯ সালের জুলাইয়ে ট্রিবিউন জানায়, শিবসেনা তাঁকে ফেরত না দিলে “ভয়াবহ পরিণতি”র হুমকি দিয়েছে। তিনি দিল্লি যান এবং প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ চান। তিনি পত্রিকাটিকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগেই তাঁর পুরস্কার গ্রহণ অনুমোদন করেছিলেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে সাহায্য করতে বলেছিলেন, আর হুমকি বাড়লে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন।

২০২১ সালের ৭ জুলাই

সিনেমাআজি নথিভুক্ত করেছে, তিনি ২০২১ সালের ৭ জুলাই বোম্বের হিন্দুজা হাসপাতালে মারা যান, ৯৮ বছর বয়সে। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর নরেন্দ্র মোদীর টুইট প্রকাশ করে, যাতে বলা ছিল দিলীপ কুমার “চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন” এবং তাঁর প্রয়াণ সাংস্কৃতিক জগতের ক্ষতি। আউটলুক জানায়, সান্তাক্রুজের জুহু কবরস্থানে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাধিস্থ করা হয়, পালি হিলে তাঁর বাড়িতে তাঁর দেহ ত্রিবর্ণ পতাকায় ঢাকা ছিল এবং কবরস্থানে ছিল আনুষ্ঠানিক গার্ড অফ অনার।

Share
Copied!

সূত্র ও আরও পড়ার জন্য

  1. The Gazette of India, Extraordinary, 23 March 1991: Padma awards notified 26 January 1991 (Padma Bhushan list includes Mohammad Yusuf Khan alias Dilip Kumar, Film Acting)
  2. The Gazette of India, Extraordinary, 8 April 2015: President's Secretariat notification of the 2015 Padma awards (Padma Vibhushan list)
  3. Prime Minister's Office, 7 July 2021: PM condoles the passing away of legendary actor Dilip Kumar
  4. Filmfare (Times Group): Filmfare Awards winners list by year, from 1954
  5. Producers Guild of India: Dadasaheb Phalke Award winners (Dilip Kumar, 1994, 42nd award)
  6. Cinemaazi (Indian Cinema Heritage Foundation): Dilip Kumar
  7. Cinemaazi (Indian Cinema Heritage Foundation): Mughal-e-Azam, film credits
  8. Karan Bali, Upperstall.com: Dilip Kumar
  9. Shaikh Ayaz, Open magazine, 19 December 2012: The Accidental Superstar
  10. Corey K. Creekmur, University of Iowa Bollywood Cinema pages: Devdas (1955) and the Devdas phenomenon
  11. University of Iowa Bollywood Cinema pages: Mughal-e-Azam (1960)
  12. University of Iowa Bollywood Cinema pages: Gunga Jumna (1961)
  13. Amit Upadhyaya, ThePrint, 20 January 2019: Why Bimal Roy's Devdas remains the first among equals
  14. Eastern Eye, 30 July 2020: India's greatest movie turns 60
  15. Ranjib Mazumder, The Quint: Before Brando, there was Dilip Kumar
  16. Outlook India: Diary, Javed Akhtar's tribute to Dilip Kumar
  17. Humra Quraishi, The Tribune, 15 July 1999: I may go to court, Dilip
  18. Outlook India, 7 July 2021: Maharashtra bids last goodbye to Dilip Kumar with full state honour

এই লেখাটি AI সরঞ্জামের সহায়তায় গবেষণা ও রচনা করা হয়েছে এবং নির্ভুলতার জন্য সম্পাদনা করা হয়েছে। এটি কেবল সাধারণ তথ্য ও আলোচনার জন্য, পেশাদার পরামর্শ নয়। আমাদের সম্পাদকীয় মান ও দাবিত্যাগ দেখুন। কোনো ভুল চোখে পড়ল? আমাদের জানান।

#dilip kumar#hindi cinema#filmfare awards#devdas#mughal-e-azam#dadasaheb phalke award#padma vibhushan#biography

ভালো লাগল? পরেরটিও পড়ুন।

একবারে একটি ভালো লেখা, সরাসরি আপনার ইনবক্সে। কোনো স্প্যাম নয়, যখন খুশি বন্ধ করতে পারেন।

একই বিভাগে আরও: শিল্প ও চলচ্চিত্র
অমিতাভ বচ্চন প্রথম পর্দায় আসেন ১৯৬৯ সালে, তারপর চারবার সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ আর ৫০তম দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার জিতেছেন
১৯৬৯ সালে গোয়ার মুক্তি নিয়ে একটি ছবি, ১৯৭৩ সালে চার তারকা যে ভূমিকা নেননি, আর ১৯৮৩ সালে একটি লড়াইয়ের দৃশ্যের ওপর থমকে থাকা তিন ভাষার ক্যাপশন। সরকারের নিজস্ব পুরস্কার-নথি থেকে সাজানো বচ্চনের কর্মজীবন।
মনোজ কুমারের পরিচালক-জীবনের প্রথম ছবি উপকার সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছিল, আর তিনি পরে ভারতের সিনেমার সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন
দেশভাগের বছরেই তাঁর পরিবার দিল্লিতে পৌঁছয়। কুড়ি বছর পরে তাঁর পেছনে ফিল্মফেয়ারের এক বিজয়, আর দর্শকের দেওয়া একটি ডাকনাম। পুরস্কারের তালিকা, মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি আর এক সমালোচকের মনোযোগী পাঠ দেখায় তাঁর সবচেয়ে পরিচিত ছবিগুলো দেশকে কেমন করে এঁকেছিল।
রাজ কাপুরের আওয়ারা ১৯৫৩ সালে কান উৎসবে প্রতিযোগিতায় ছিল আর সোভিয়েত ইউনিয়নে ৬৩.৭ মিলিয়ন টিকিট বিক্রি করেছিল বলে জানা যায়, আর তিনি ১৯৭১ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৮৭ সালের ফালকে পুরস্কার পান
সরকারি ভোজসভায় বাজানো একটি শিরোনাম-গান, ভক্তদের কাঁধে তোলা একটি গাড়ি, আর ছাপায় দুটি আলাদা বছর নিয়ে চলা একটি ফালকে পুরস্কার। ভারতীয় সিনেমার শোম্যান সম্পর্কে কান আর্কাইভ, গেজেট আর নামধারী সাংবাদিকেরা কী নথিভুক্ত করেছেন।
← সব লেখা